শিরোনাম :
দিল্লিতে হাসিনার গণমাধ্যমে ভাষণ: এর সাথে ভারত সরকারের কোনও সম্পর্ক নেই: রণধীর জয়সোয়াল শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে ‘আইনগত ব্যবস্থা’: তথ্য উপদেষ্টা জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির যথাযোগ্য মর্যাদায় বুধবার পালিত হবে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ জনপ্রত্যাশা পূরণে সমঝোতার ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধন করা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন আগামীকাল বেনাপোল দিয়ে এলো কাঁচা মরিচের প্রথম চালান : ১ দিনে কাঁচামরিচের দাম কমলো ১০০ টাকা জাতির ঘাড়ে দুর্নীতির সিন্ডিকেট চেপে বসেছে : গোলাম পরওয়ার রাশিয়া-ইউক্রেনের পাল্টাপাল্টি হামলায় একদিনে নিহত ২৭

যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরত এলেন ৩৯ বাংলাদেশি

  • ১১:৫৫ এএম, শনিবার, ২ আগস্ট, ২০২৫
ছবি: সংগৃহিত

।।বিকে রিপোর্ট।।
যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে অবস্থানের অভিযোগে দেশটি থেকে ফেরত পাঠানো আরও ৩৯ জন বাংলাদেশে পৌঁছেছেন।

শনিবার ২ আগস্ট সকাল সাড়ে ৬টার দিকে মার্কিন সামরিক বাহিনীর একটি বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটে দলটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। ইমিগ্রেশন পুলিশ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

ফেরত পাঠানোর এই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগকারী সংস্থা (আইসিই)। এর আগে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কনস্যুলার ও কল্যাণ অনুবিভাগ এক বিবৃতিতে জানিয়েছিল, মোট ৬১ জন বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানো হবে। তবে পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি) সূত্রে জানা গেছে, শেষ পর্যন্ত ৩৯ জনকে বহনকারী বিমানটিই ঢাকা পৌঁছেছে।

উল্লেখ্য, এর আগে বিভিন্ন সময় আরও ১১৮ বাংলাদেশি নাগরিককে ফেরত পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র থেকে চার্টার্ড ফ্লাইটে ঢাকায় ফেরত পাঠানো বাংলাদেশিদের সঙ্গে মানবিক আচরণ করা হয়েছে। যদিও এর আগে ভারতীয়দের হাতে-পায়ে শেকল বেঁধে ফেরত পাঠিয়েছিল যুক্তরাস্ট্র। যা তীব্র সমালোচিত হয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে দেশটিতে অবৈধ হয়ে ধরা পড়া বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের নিজ নিজ দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশেও প্রতি মাসে কিছু মানুষকে ফিরতে হচ্ছে।  

এটি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের অভিবাসন নীতিরই বাস্তবায়ন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। ট্রাম্প প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে এবং ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর কার্যক্রম জোরদার করেছে।

বাংলাদেশ সরকার কূটনৈতিক পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে নিশ্চিত করেছে, ফেরত পাঠানো বাংলাদেশিদের প্রতি যেন মানবিক আচরণ করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এই বাংলাদেশিদের সঙ্গে কোনো শারীরিক নিপীড়ন বা অপমানজনক আচরণ করা হয়নি এবং তাদের কাউকে হাতকড়া পরানো হয়নি—যা অনেক সময় অন্যান্য দেশের নাগরিকদের ক্ষেত্রে দেখা যায।

বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলো ফেরত আসা বাংলাদেশিদের গ্রহণ করে এবং তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা ও যাচাই-বাছাই কার্যক্রম সম্পন্ন করে।

মিশনের একজন কূটনীতিক জানান, আটক হওয়া ব্যক্তির বৈধ পাসপোর্ট থাকলে তাকে দ্রুত পাঠানো হচ্ছে। মেয়াদোত্তীর্ণ পাসপোর্ট থাকলে বাংলাদেশ মিশন থেকে একমুখী ট্রাভেল পারমিট (টিপি) দেওয়ার পর পাঠানো হচ্ছে। আর যাদের পরিচয় শনাক্ত করার মতো পাসপোর্ট, জাতীয় পরিচয়পত্র বা অন্য কোনো প্রমাণপত্র নেই, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তাঁদের নাগরিকত্ব নিশ্চিত করা গেলে তারপর টিপি দেওয়া হচ্ছে।

অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উন্নত দেশে অভিবাসনের আগে বৈধ কাগজপত্র ও অভিবাসন আইন সম্পর্কে সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি। না হলে ভবিষ্যতেও এমন অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হবে অনেক বাংলাদেশিকে।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech