শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবারের মতো খুলনা সফর: দাকোপে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী মার্কিন কূটনীতিক ও পরিবারের সদস্যদের সৌদি ত্যাগের নির্দেশ ত্রিদেশীয় সিরিজে আফগানদের কাছে ৭ উইকেটে হেরে শূন্য হাতে ফিরছে বাংলাদেশ বিজয়া দশমীতে বিসর্জনস্থলে সিঁদুর খেলার সময় প্রাণ গেল নববধূর ১৩ বছর বয়সী শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে সাভারে মাদ্রাসা ও শিক্ষকের বাড়িতে ভাঙচুর ৩১ অক্টোবরের ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লং মার্চ সফল করতে জামায়াতের প্রস্তুতি সভা হুতিরা পাল্টা আঘাত করলো সৌদি আরবে: দাম্মাম বিমানবন্দরে হামলায় নিহত ১ ১ নভেম্বর থেকে খাদ্য ব্যবসায়ের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক, লাগবে লাইসেন্স বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো শারদীয় দুর্গোৎসব আকাশ আজ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে: লঘুচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে

জাতীয় কবি নজরুলের ৪৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

  • ১০:৫৬ এএম, বুধবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৫
ছবি: সংগৃহিত

।।বিকে ডেস্ক।।
মানবতা প্রেম ও সাম্যবাদের চেতনায় দীপ্ত দ্রোহের কবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৪৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ।

“মসজিদেরই পাশে আমার কবর দিও ভাই
যেন গোরে থেকে মুয়াজ্জিনের আজান শুনতে পাই…..”

গানে তাঁর প্রার্থনারই বাস্তব প্রতিফলন দেখতে পাই রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে তার চিরনিদ্রায় শায়িত হওয়ার মাঝে।

২৭ মে ১৯৭৬ সালে তিনি চলে যান না ফেরার দেশে।

আজ তাঁর ৪৯তম মৃত্যুবার্ষিকীতে সারাদেশে কবির প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা জানাবেন দেশের মানুষ।

১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম। শৈশবে তাঁর ডাকনাম ছিল ‘দুখু মিয়া’। শৈশব থেকেই কঠিন দারিদ্র্য মোকাবিলা করে বড় হয়েছেন তিনি।

পরবর্তীতে হয়ে উঠেছিলেন বাংলা ভাষা-সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি। শুধু কবিতা নয়, সংগীত, নাটক, গল্প, প্রবন্ধ, সাংবাদিকতা- সবক্ষেত্রেই রেখেছেন অনন্য স্বাক্ষর। তার লেখা ও গান শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে সংগ্রামে জাতিকে জাগিয়ে তুলেছে বারবার। মুক্তিযুদ্ধেও নজরুল ছিলেন এক অদৃশ্য প্রেরণার মশাল।

কবি কাজী নজরুল ইসলাম লিখতে পেরেছিলেন মাত্র ২৩ বছর। এই ২৩ বছরের সাহিত্যজীবনের সৃষ্টিকর্ম বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের অমূল্য সম্পদ। কবি নজরুলের কবিতা, গান ও সাহিত্যকর্ম বাংলা সাহিত্যে নবজাগরণ সৃষ্টি করেছিল। তাঁর কবিতা ও গান মানুষকে যুগে যুগে শোষণ-বঞ্চনা থেকে মুক্তির পথ দেখিয়ে চলেছে। অপর দিকে তিনি ছিলেন চিরপ্রেমের কবি। তিনি নিজেই বলেছেন ‘মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ-তূর্য’।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ২৪ মে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উদ্যোগে ভারত সরকারের অনুমতি নিয়ে কবি নজরুলকে সপরিবার বাংলাদেশে আনা হয়। তাঁকে দেওয়া হয় জাতীয় কবির মর্যাদা।

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বসবাসের ব্যবস্থা করে রাজধানীর ধানমন্ডিতে কবিকে একটি বাড়ি দেওয়া হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৭৪ সালে কবিকে সম্মানসূচক ডি-লিট উপাধিতে ভূষিত করে। ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ সরকার কবিকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেয়। একই বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি একুশে পদকে ভূষিত করা হয় কবিকে।

কবির প্রয়াণ দিবসে আজ সারাদেশে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন নানা কর্মসূচি পালন করছে। কবির সমাধিতে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন, ফাতেহা ও দোয়া মাহফিলের পাশাপাশি থাকছে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক আয়োজন।

কবি নজরুল ইনস্টিটিউট দিনটি পালনে ‘মৃত্যুঞ্জয়ী নজরুল’ শীর্ষক আলোচনা, হামদ-নাত ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে। বাংলা একাডেমির পক্ষ থেকে কবির কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন, একক বক্তৃতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech