শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট ও সিইও’র সাক্ষাৎ কুড়িগ্রাম সীমান্তে ১০ দিন ধরে ৩ যুবকের অবস্থান, দুইজন উধাও ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা শিথিল, লেবাননে লড়াইয়ে লাগাম ধানমন্ডিতে সাংবাদিককে মারধর করলেন জামায়াতকর্মীরা ফ্রান্সে তীব্র তাপপ্রবাহ: ২ দিনে ১৮ জনের মৃত্যু প্রধানমন্ত্রী চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন মেসির জোড়া গোলে অস্ট্রিয়াকে হারিয়ে নকআউটে আর্জেন্টিনা অবশেষে ১১৫ দিন পর হরমুজ পাড়ি দিলো ‘বাংলার জয়যাত্রা’ ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপণ: কার্বন ক্রেডিট বিক্রি করে বিলিয়ন ডলার আয় করতে পারে বাংলাদেশ পদত্যাগ করলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার

অধ্যাদেশ জারি : উচ্চ আদালতের বিচারক নিয়োগ করবে স্বতন্ত্র জুডিশিয়াল অ্যাপয়েন্টমেন্ট কাউন্সিল

  • ০৬:৪০ এএম, শনিবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০২৫

বাংলাদেশের উচ্চ আদালতে বিচারক নিয়োগের জন্য স্বতন্ত্র জুডিশিয়াল অ্যাপয়েন্টমেন্ট কাউন্সিলের বিধান রেখে সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ-২০২৫ এর গেজেট নোটিফিকেশন হয়েছে।

মঙ্গলবার ২১ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগসংক্রান্ত এ অধ্যাদেশ জারি করা হয়।

গেজেট জারির কথা জানিয়ে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেন, এতে উচ্চ আদালতে বিচারক নিয়োগে একটি কাউন্সিলের বিধান করা হয়েছে। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে আপিল বিভাগের দুজন বিচারক (একজন অবসরপ্রাপ্ত ও একজন কর্মরত), হাইকোর্টের দুজন বিচারক এবং অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়ে ছয় সদস্যের এ কাউন্সিল গঠন করা হবে।

আসিফ নজরুল আরও জানান, এ কাউন্সিল নিজ উদ্যোগে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম সংগ্রহ করবে। একই সঙ্গে যে কোনো মানুষ, যে কোনো আইনজীবী- যাতে নিজের ইচ্ছায় আবেদন বা কারও নাম প্রস্তাব করতে পারেন, সেই ব্যবস্থা আছে। প্রাথমিক যাচাইবাছাই করার পর সাক্ষাৎকার নেওয়া হবে। এ কাউন্সিলের নাম হবে জুডিশিয়াল অ্যাপয়েন্টমেন্ট কাউন্সিল।

হাইকোর্টে বিচারক পদে পরবর্তী নিয়োগ এ প্রক্রিয়ায় দিতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেন আইন উপদেষ্টা।

অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেন, বিগত সরকারের আমলে যে অনাচার হতো, চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন হতো, মানুষকে যে দমনপীড়ন করা হতো, তার একটি বড় প্ল্যাটফর্ম ছিল উচ্চ আদালত। সেখানে মানুষ প্রতিকার পেত না।

উচ্চ আদালতের নিয়োগ নিয়ে একজন সাবেক বিচারপতি ‘প্রলয় ঘটে গেছে’- এ ধরনের মন্তব্য করেছিলেন।

উচ্চ আদালতে যদি স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় যোগ্য ও নিরপেক্ষ ব্যক্তিরা বিচারক হিসেবে নিয়োগ না পান, তাহলে দেশের ১৭ কোটি মানুষের মানবাধিকারের প্রশ্নটি অমীমাংসিত ও ঝুঁকির মধ্যে থেকে যায়।

উচ্চ আদালতে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় অভিজ্ঞ, দক্ষ ও দলনিরপেক্ষ এবং প্রকৃত যোগ্য ব্যক্তিরা বিচারক হিসেবে নিয়োগ হবে—এমন একটি চাহিদা সমাজে বহু বছর ধরে ছিল। এখন এ বিষয়ে আইন হয়েছে। একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উচ্চ আদালতে বিচারকরা নিয়োগ পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech