Breaking News:


শিরোনাম :
চট্টগ্রামকে হারিয়ে বিপিএল চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী বাংলাদেশকে পুনর্নির্মাণ করতে হলে অবশ্যই আমাদের গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে জামায়াত সরকার গঠন করলে দেশ চাঁদাবাজ মুক্ত হবে: শফিকুর রহমান জামায়াতের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক, এটাকে অশনিসংকেত হিসেবে দেখি: ফরহাদ মজহার যারা ফ্যাসিবাদের সহযোগী তারাই ‘না’ ভোট চাচ্ছে : স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা পল্টনে স্কুলে শিশু শিক্ষার্থীকে নির্যাতন, ব্যবস্থাপক কারাগারে ভবিষ্যৎ নির্বাচনের মানদণ্ড স্থাপন করবে ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট: মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালনের আহ্বান নির্বাচন কমিশনের মাগুরায় ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি স্থাপনের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ভাঙচুর ১৬ ঘন্টায় ৭ জেলায় সমাবেশ, লাখো মানুষের ঢল: ভোরে ঢাকায় ফিরলেন তারেক রহমান

একদিনে প্রায় ৮০০ যুদ্ধবন্দী মুক্তি দিলো রাশিয়া-ইউক্রেন

  • আপলোড টাইম : ১২:৪৫ পিএম, শনিবার, ২৪ মে, ২০২৫
  • ৯৪ Time View
ছবি: সিএনএন

।।বিকে আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।
রাশিয়া ও ইউক্রেনের গত সাড়ে তিন বছরের যুদ্ধের ইতিহাসে এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ সংখ্যক যুদ্ধবন্দিকে মুক্তি দিয়েছে দুই দেশ।

শুক্রবার ২৩ মে উভয় দেশই ৩৯০ জন করে ৭৮০ জন যুদ্ধবন্দিকে মুক্তি দিয়েছে। এদের মধ্যে সামরিক-বেসামরিক উভয় ধরনের বন্দি রয়েছে।

ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি তুরস্কে দুই দেশের সরকারি প্রতিনিধিদের মধ্যে হওয়া সংলাপে মস্কো ও কিয়েভের মধ্যে যেসব সমঝোতা হয়েছে, সেসবের আওতায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে এই যুদ্ধবন্দিদের। তুরস্কের বৈঠকে উভয় দেশের ৫০০ জন করে মোট ১ হাজার যুদ্ধবন্দির মুক্তির ব্যাপারে সম্মত হয়েছিল রাশিয়া ও ইউক্রেন।

তাদের মধ্যে শুক্রবার মুক্তি পেলেন ৭৮০ জন। ছাড়া পাওয়া এই যুদ্ধবন্দিদের মধ্যে উভয় দেশই ২৭০ জন করে সামরিক এবং ১২০ জন করে বেসামরিক বন্দিকে মুক্তি দিয়েছে। আজ শনিবার ও আগামীকাল রবিবার বাকি ২২০ জনকে ছেড়ে ও দেওয়া হবে।

গতকাল যে ৩৯০ জন ইউক্রেনীয় যুদ্ধবন্দিকে মুক্তি দিয়েছে মস্কো, তাদের একজন ওলেক্সান্দার নেহির ইউক্রেনীয় বাহিনীর একজন সেনা সদস্য। তার স্ত্রী এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

মুক্তির পর ইউক্রেনের সুমি শহরের বাসিন্দা নেহির বলেন, আমাকে যে আজ মুক্তি দেওয়া হচ্ছে—আমার স্ত্রীকে জানানো হয়নি। এমনিতে কারা কর্তৃপক্ষ প্রতি শুক্রবার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আমাদের সাক্ষাৎ করতে দেয়। সে আমার সঙ্গে আজ ওই সাপ্তাহিক সাক্ষাৎ করতেই এসেছিল। এসে যখন দেখল যে আমি মুক্তি পেয়েছি, সে খুশিতে প্রায় বাকরুদ্ধ হয়ে গেছে। বিষয়টি ঠিক কেমন—আপনি যদি কখনও এ ধরনের পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে না যান, তাহলে আপনাকে তা বলে বোঝানো কঠিন। আমি শুধু এটুকু বলতে পারি, কখনও বিশ্বাস হারানো চলবে না, নিরাশ বা হতাশ হওয়া চলবে না।

যুদ্ধবন্দিদের মুক্তিদানের ব্যাপারটিকে স্বাগত জানিয়েছেন এ যুদ্ধের প্রধান মধ্যস্থতাকারী যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও। শুক্রবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করা এক বার্তায় ট্রাম্প বলেন, মস্কো-কিয়েভ উভয়পক্ষের সমঝোতাকে স্বাগত। এই সমঝোতা কি অদূর ভবিষ্যতে আমাদেরকে বড় কোনো সুসংবাদের দিকে নিয়ে যাবে?  

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech