Breaking News:


শিরোনাম :
আজ বিশ্বের বায়ুদূষণে শীর্ষ শহর ঢাকা বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে মৃদু ভূমিকম্প ‘হ্যাঁ’র পক্ষে সরকারি কর্মকর্তাদের প্রচার চালাতে আইনগত বাধা নেই : অধ্যাপক আলী রীয়াজ শেষরাতে কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে পোস্টাল ব্যালট সংরক্ষণ-গণনা নিয়ে ইসির পরিপত্র: ৪০০ ব্যালটের জন্য ১টি ব্যালটবাক্স নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করলেন তাসনিম জারা বাংলাদেশের সঙ্গে অন্যায় করা হচ্ছে: এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (এসিসি) প্রেসিডেন্ট কর্ণফুলী টানেলে রক্ষণাবেক্ষণ কাজ, রাতে ট্রাফিক ডাইভারশন আইসিসি’র একপেশে সিদ্ধান্ত: বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে বিশ্বকাপে নেয়ার ঘোষণা চাঁদাবাজি-আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মুছাব্বির হত্যাকাণ্ড : ডিবি

ড. ইউনূসকে পদত্যাগ না করার অনুরোধ ৩ দলের

  • আপলোড টাইম : ১০:২০ এএম, রবিবার, ২৫ মে, ২০২৫
  • ১২১ Time View
ছবি: ফাইল ফটো

।।বিকে রিপোর্ট।।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস পদত্যাগ ইস্যুতে কয়েকদিনের টালমাটাল অবস্থা শেষে গতকাল সন্ধ্যা বিএনপি জামাত সহ অন্যান্য দলের সাথে যমুনায় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তারা অনুরোধ করেছে- নির্বাচন শেষ না করে তিনি যেন পদত্যাগ না করেন।

শনিবার ২৪ মে রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় তার সঙ্গে বৈঠক করেছে বিএনপি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও নবগঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল।

এ সময় প্রতিটি দল সংস্কার ও জাতীয় নির্বাচন ইস্যুতে তাদের অবস্থান তুলে ধরে।

বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি বৈঠক শেষে রাত সাড়ে ১০টায় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, প্রতিটি রাজনৈতিক দল প্রধান উপদেষ্টাকে সমর্থন জানিয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা রাজনৈতিক দলগুলোকে জানিয়েছেন নির্বাচন ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে হবে। তিনি এক কথার মানুষ, তার প্রতিশ্রুতির ব্যত্যয় ঘটবে না।

প্রেস সচিব বলেন, ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে নির্বাচনের বিষয়ে এনসিপি ও জামায়াত দ্বিমত পোষণ করেনি। তবে বিএনপি ডিসেম্বরের মধ্যে চেয়েছে। বিচার প্রক্রিয়া এ মাসের মধ্যেই শুরু হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।

এ বিষয়টি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে উল্লেখ করেন শফিকুল আলম। তিনি বলেন, খুবই সৌহার্দপূর্ণ পরিবেশে বৈঠক হয়েছে। এনসিপি স্থানীয় সরকার নির্বাচন চেয়েছে। শেখ হাসিনার আমলের সব নির্বাচন বাতিল চেয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা এ নিয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু বলেননি।

সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সরকারের নিয়মিত যোগাযোগ আছে। উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠনের বিষয়ে বিএনপি প্রস্তাব দিয়েছে। তবে সরকার কিছু বলেনি বলে জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব।

রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠকের অংশ হিসেবে আজ রবিবার হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, গণঅধিকার পরিষদ, আমরা বাংলাদেশ পার্টিসহ (এবি পার্টি) ৮টি দলের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠকের কথা রয়েছে।

এদিকে, গতকালের বৈঠকে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন দাবি করেছে বিএনপি। দুই ছাত্র-উপদেষ্টা ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার পদত্যাগও দাবি করে দলটি। অন্যদিকে জামায়াতের পক্ষ থেকে বৈঠকে বলা হয়েছে, সংস্কার ও নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করলেই সবকিছু স্বাভাবিক হবে বলে দলটি মনে করছে। তবে জামায়াতের পক্ষ থেকে কোনো উপদেষ্টার পদত্যাগ চাওয়া হয়নি। এছাড়া জুলাই গণহত্যার বিচার, রাষ্ট্র সংস্কার, জুলাই সনদ, গণপরিষদ ও আইনসভার সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ চেয়েছে এনসিপি।

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বিএনপির চার সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন। দলে আরও ছিলেন জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সালাহউদ্দিন আহমেদ।

রাত পৌনে ৮টায় বিএনপির প্রতিনিধি দল প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনায় প্রবেশ করেন। উপদেষ্টাদের মধ্যে ছিলেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান আলী রীয়াজ, স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। রাত ৮টা ৩৫ মিনিটে বেরিয়ে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়বস্তু তুলে ধরে বিএনপি। বৈঠকে বিএনপির পক্ষ থেকে প্রধান উপদেষ্টাকে লিখিত দেওয়া হয়েছে।

সরকারের সাম্প্রতিক কিছু কর্মকাণ্ডে জনমনে সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে সংশয় সৃষ্টি হয়েছে বলে লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়। মানবিক করিডর এবং চট্টগ্রাম বন্দরসহ এমন জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ও দীর্ঘমেয়াদী নীতিনির্ধারণী কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার অন্তর্বর্তীকালীন অস্থায়ী সরকারের আছে বলে এদেশের জনগণ মনে করে না।

দেশের নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট স্পর্শকাতর ও জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার বিবেচনায় নিয়ে যেন দেশে অস্থিতিশীল কোনো পরিবেশ সৃষ্টি না হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখে এই বিষয়ে যে কোনো সিদ্ধান্ত কেবল জনগণের দ্বারা নির্বাচিত সরকার কর্তৃক জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে গৃহীত হওয়াই সমীচীন বলে চিঠি উল্লেখ করা হয়েছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যের ভিত্তিতে একটি সংস্কার সনদ তৈরির প্রক্রিয়ার মধ্যেই আলাপ-আলোচনা অব্যাহত থাকা সত্ত্বেও একই বিষয়গুলো নিয়ে এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দাবিতে একটি দলের নির্বাচন কমিশন ঘেরাও কর্মসূচি আমাদের এবং সরকারকে বিব্রত করে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সংক্রান্ত বিষয়ে আদালতের রায় অনুযায়ী গেজেট নোটিফিকেশন করায় নির্বাচন কমিশনকে অন্যায় ও অযৌক্তিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করা হচ্ছে।

আমরা আশা করব অতিশিগগিরই সরকার ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন মেয়র হিসাবে ইশরাক হোসেনকে শপথ গ্রহণ করানোর ব্যবস্থা নিবে উল্লেখ করে চিঠিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় সরকার উপদেষ্টার পক্ষপাতমূলক আচরণ সরকারের ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ন করছে।

জুলাই-ছাত্র গণঅভ্যুত্থানের আকাংখাকে ধারণ করে মানুষের হারানো গণতান্ত্রিক অধিকার, সাংবিধানিক অধিকার, মানবাধিকারসহ ভোটাধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে একটি নির্বাচিত রাজনৈতিক সরকার প্রতিষ্ঠা করাই এখন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার বলে উল্লেখ করা হয়।

তাই, আমরা একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে একটি জাতীয় সংসদ গঠনের জন্য অবিলম্বে সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানাচ্ছি। এই সর্বোচ্চ জনআকাক্সক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া বর্তামান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানতম এজেন্ডা হওয়া উচিত বলে জনগণ মনে করে। এর অন্যথা হলে বিএনপির পক্ষে এই সরকারের প্রতি সহযোগিতা অব্যাহত রাখা কঠিন হয়ে দাঁড়াবে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

জামায়াতে ইসলামী রাত সাড়ে আটটা থেকে প্রায় ৩০ মিনিট রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে দলের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরকে সঙ্গে নিয়ে দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান বৈঠক করেন।

বৈঠকের পর ডা. শফিকুর রহমান সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচন কবে হবে, সেটা স্পষ্ট করা দরকার বলে মনে করে জামায়াত। দলটি বলেছে, নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট সময় কখন, তার একটি রোডম্যাপ (পথনকশা) দরকার। পাশাপাশি সংস্কারেরও রোডম্যাপ প্রয়োজন।

এ দুটি রোডম্যাপ ঘোষণা করলেই চলমান অস্থিরতা অনেকটাই কেটে যাবে। নির্বাচনের আগে সংস্কার ও বিচার দৃশ্যমান হতে হবে বলেও মনে করে দলটি। এক প্রশ্নের জবাবে জামায়াত আমির বলেন, বিএনপিও কিন্তু বারবার বলছে তারা সংস্কারের বিরোধী নয়, কিন্তু নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ চান। সেটা তো আমরাও (জামায়াত) চাই। আমরা কোনো সময় বেঁধে দেইনি। যদি সংস্কার শেষ হয়ে যায়, তাহলে ফেব্রুয়ারির মধ্যভাগে নির্বাচন হতে পারে। আর সংস্কার এর ভিতরে শেষ না হয়, আরেকটু সময় লাগে এরপরই যেহেতু রোজা শুরু হয়ে যাবে, রোজার পরপরই নির্বাচন হতে হবে। তারপর এটাকে টেনে লম্বা করলে কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন করার সম্ভব হবে না। আমাদের দেশের আবহাওয়া এটা এলাউ করবে না।

এক প্রশ্নে জামায়াত আমির বলেন, আমরা নিজেরাই সাক্ষাত চেয়েছি। প্রধান উপদেষ্টা গভীর মনোযোগের সঙ্গে কথা শুনেছেন। তিনি বিষয়টাকে ইতিবাচকভাবে নিয়েছেন।

প্রধান উপদেষ্টা কি বলেছেন-এমন প্রশ্নে জামায়াত আমির বলেন, প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন দেশ আমাদের সবার। তিনি অর্থবহ সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন দিতে চান। যেনতেন কোনো নির্বাচন চান না।

শফিকুর রহমান বলেন, আমরা বলেছি দুইটা বিষয় স্পষ্ট করা দরকার। নির্বাচনটা কখন হবে। আপনি (প্রধান উপদেষ্টা) যে সময় সীমা দিয়েছেন এর ভেতরেই জনগণের কোনো ধরনের বড় ভোগান্তি না হয় এমন একটা স্বস্তিদায়ক সময়ে জাতীয় নির্বাচন হওয়া উচিত বলে মনে করি।

আর দুই নম্বরে আমরা বলেছি- নির্বাচনের আগে অবশ্যই সংস্কার ও বিচারের দৃশ্যমান কিছু প্রক্রিয়া জনগণের সামনে আসতে হবে। সংষ্কার শেষ না করে যদি নির্বাচন হয় সেই নির্বাচনে জনগণ তাদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবে না। মাত্র পাঁচটা সু-নির্দিষ্ট বিষয়ে তারা হাত দিয়েছেন। এতটুকু সন্তোষজনকভাবে নিষ্পত্তি হওয়া উচিত।

তিনি বলেন, অর্থবহ সংস্কারের মধ্যে অর্থবহ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। এ নিয়ে যে অস্থিরতা দেখা দিয়েছিল, আপাতদৃষ্টিতে তা কিছুটা কেটেছে। আমরা এর স্থায়ী নিষ্পত্তি চাই। আমরা মনে করি দুইটা রোডম্যাপ ঘোষণা করলেই তার অনেকটাই কেটে যাবে। একটা হচ্ছে সংস্কারের রোডম্যাপ। আরেকটা হচ্ছে নির্বাচনের রোডম্যাপ।

বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর পর প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বৈঠক করে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে এনসিপির প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন দলটির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব তাসনিম জারা। বৈঠক শেষে রাত সোয়া ১০টার দিকে নাহিদ ইসলাম সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।

বৈঠকে জুলাই গণহত্যার বিচার, রাষ্ট্র সংস্কার, জুলাই সনদ,গণপরিষদ ও আইনসভার সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ চেয়েছে এনসিপি। প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক শেষে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এসব কথা জানান।

নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা সুস্পষ্টভাবে বলেছি, অন্তর্বর্তী সরকারে যে দুজন ছাত্র প্রতিনিধি উপদেষ্টা হিসেবে আছেন, তারা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রতিনিধি হিসেবে গেছেন। সরকারকে বৈধতা দিয়েছেন। তাদের সঙ্গে রাজনৈতিক দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা গণ-অভ্যুত্থানের আকাক্সক্ষা বাস্তবায়নে কাজ করছেন। তাদের হেয় করা, অপমান করার নিন্দা জানিয়েছি। তাদের পদত্যাগ চাওয়া রাজনৈতিক উদ্দেশ্যমূলক।

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করবেন এটা এনসিপির পক্ষ থেকে জোর দিয়ে বলা হয়েছে।

এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব জানান, বৈঠকে শহীদ পরিবারের পুনর্বাসন ও আহতদের সুচিকিৎসা, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই জুলাই ঘোষণাপত্র জারি, ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের সময়ে অনুষ্ঠিত সব জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচন অবৈধ ঘোষণা, বিচার, সংস্কার ও নির্বাচনের সমন্বিত সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা দেওয়া, ইসি পুনর্গঠন করে জনস্বার্থে স্থানীয় নির্বাচন শুরু করা, বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের আয়োজন করা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।   

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech