শিরোনাম :
সম্প্রীতি আমাদের শক্তি, আমাদের অস্তিত্ব, যেকোনো মূল্যে তা অক্ষুন্ন রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি দেশের ডিসি ও বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ সক্ষমতা ৫.০৭ মেগাওয়াট ধলেশ্বরীর ভাঙনে বিলীন কবরস্থান-বসতভিটা, হুমকিতে নানা স্থাপনা আজ বিজয়া দশমী: শারদীয় দুর্গোৎসবের মণ্ডপে মণ্ডপে বাজছে বিষাদের সুর জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিরোধীদলীয় নেতার অনুপস্থিতি : প্রোটোকল ও ‘রুলস অব প্রেসিডেন্স’ অনুযায়ী যথাযথ সম্মান প্রদর্শন না করার অভিযোগ ইয়েমেনে ২৪ ঘণ্টায় ৭৪৪ হামলা সেনাবাহিনীর, ২০০ হুতি যোদ্ধা নিহতের দাবী ডিজিটালের তুলনায় নগদ লেনদেনে ব্যয় ২৮ গুণ বেশি: বাংলাদেশ ব্যাংক ধর্ম যার যার, পরিচয় আমরা সবাই বাংলাদেশি : প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর আকাশ আজ মেঘলা থাকতে পারে, আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে চট্টগ্রামে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

আজ আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস

  • ০১:১২ পিএম, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
ছবি: সংগৃহিত

।।বিকে ডেস্ক।।
আজ আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও আজ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে ‘আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস-২০২৫’।

আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসে ইউনেস্কো এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করেছে— “প্রযুক্তির যুগে সাক্ষরতার প্রসার”।

সোমবার ৯ সেপ্টেম্বর দিবসটি উদযাপন উপলক্ষ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো রাজধানীর তেজগাঁওয়ে এক আলোচনা সভার আয়োজন করেছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে এ আলোচনা সভায় উপস্থিত থাকবেন।

দিবসটি উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাণী দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, ১৯৬৭ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী এবং ১৯৭২ সাল থেকে স্বাধীন বাংলাদেশে ৮ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উদযাপিত হয়ে আসছে।

অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতা থেকে মুক্তির অন্যতম উপায় হলো সাক্ষরতা অর্জন করা। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই সাক্ষরতার সংজ্ঞায় ভিন্নতা থাকলেও, ১৯৬৭ সালে ইউনেস্কো সর্বজনীন একটা সংজ্ঞা নির্ধারণ করে। তখন শুধু কেউ নাম লিখতে পারলেই তাকে সাক্ষর বলা হতো।

পরবর্তীতে প্রায় প্রতি দশকেই এই সংজ্ঞায় পরিবর্তন এসেছে এবং ১৯৯৩ সালের একটি সংজ্ঞায় ব্যক্তিকে সাক্ষর হওয়ার জন্য তিনটি শর্ত পূরণ করতে হয়।

শর্ত তিনটি হচ্ছে— ১. ব্যক্তি নিজ ভাষায় সহজ ও ছোট বাক্য পড়তে পারবে, ২. ব্যক্তি নিজ ভাষায় সহজ ও ছোট বাক্য লিখতে পারবে ও ৩. ব্যক্তি দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ হিসাব-নিকাশ করতে পারবে।

স্বাধীন বাংলাদেশে মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য জাতিকে নিরক্ষরতার অভিশাপ থেকে মুক্ত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশের সংবিধানের ১৭ অনুচ্ছেদে অবৈতনিক বাধ্যতামূলক শিক্ষার অধিকার সন্নিবেশিত হয়েছে।

সাক্ষরতা ও উন্নয়ন একই সূত্রে গাঁথা। নিরক্ষরতা উন্নয়নের অন্তরায়। টেকসই সমাজ গঠনের জন্য যে জ্ঞান ও দক্ষতা প্রয়োজন, তা সাক্ষরতার মাধ্যমেই অর্জন করা সম্ভব।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech