শিরোনাম :
গুমের আগে কোথায় কীভাবে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন, রোমহর্ষক বর্ণনা গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশ পুনর্বহালের দাবিতে সংসদ ভবনের সামনে জামায়াত-জোটের অবস্থান ‘মক্কা চুক্তি’ বাস্তবায়নের প্রথম বৈঠক ইস্তাম্বুলে সাবেক সেনাপ্রধান শফিউদ্দিনকে দুদকে তলব স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো ‘আয়নাঘর’ থাকবে না : রাষ্ট্রপতি ভারতীয় ব্যবসায়ীদের হিলি দিয়ে পণ্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা- অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ স্থলবন্দর সেপ্টেম্বর থেকে ২ লাখ শ্রমিক নেওয়া শুরু করবে মালয়েশিয়া আপিল বিভাগের নবনিযুক্ত বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন হাবিবুল গনি কাপ্তাই হ্রদের পানিতে ডুবেছে ঝুলন্ত সেতু, বাঘাইছড়ির নিম্নাঞ্চল প্লাবিত- খুলে দেওয়া হয়েছে ১৬টি জলকপাট গুম বিশ্বের নিকৃষ্টতম অপরাধগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর: প্রধানমন্ত্রী

কাঁটাতার দিয়ে কারও সাথে বন্ধুত্ব করা যায় না

  • ১১:৩৮ এএম, বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬
ছবি: সংগৃহিত,

।।বিকে রিপোর্ট।।
আমাদের সীমান্তে আবারও হত্যাকাণ্ড হচ্ছে। সীমান্তে আবারও নতুন করে কাঁটাতার দেওয়া হচ্ছে। আমার দেশের জনগণকে হত্যা করে কেউ যদি বন্ধুত্বের কথা বলে তার সাথে বন্ধুত্ব সম্ভব না। কাঁটাতার দিয়ে কারও সাথে বন্ধুত্ব করা যায় না বলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম।

মঙ্গলবার ১২ মে বিকেলে ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে এনসিপি সমর্থিত সংগঠন ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের ‘শাপলা গণহত্যা; বিচারহীনতার এক যুগ’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও তথ্যচিত্র প্রদর্শনীতে তিনি এসব কথা বলেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, লাদেশের সীমান্তকে রক্ষা করার দায়িত্ব এই সরকারের। এই দেশের সরকার যদি ব্যর্থ হয়, জনগণ সেই দায়িত্ব নিজ হাতে তুলে নেবে। বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষা করার দায়িত্ব আমাদের।’

এনসিপির এ বলেন, ‘বাংলাদেশের আমাদের নদীর যে পানির ন্যায্য হিস্যা, সেটা আদায় করার দায়িত্ব আমাদের। সরকারের প্রতি আমাদের আহ্বান থাকবে সরকার এই বিষয়গুলোতে দৃষ্টিপাত করবে।

এসময় তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি এই কাঁটাতার সেই দেশের জনগণ একদিন উপড়ে ফেলে বাংলাদেশের জনগণের সাথে বন্ধুত্ব করবে। এবং বাংলাদেশের সীমান্তকে রক্ষা করার দায়িত্ব সরকারের। যদি সরকার ব্যর্থ হয় জনগণ সেই দায়িত্ব কিন্তু নিজ হাতে তুলে নেবে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষা করার দায়িত্ব আমাদের। বাংলাদেশের আমাদের নদীর পানির ন্যায্য হিসসা আদায় করার দায়িত্ব আমাদের। সরকারের প্রতি আমাদের আহ্বান থাকবে সরকার এই বিষয়গুলোতে দৃষ্টিপাত করবে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব এবং জাতীয় মর্যাদা অক্ষুন্ন রাখবে। আমরা এরকম একটি দেশ প্রতিষ্ঠা করতে চাই। সেটার জন্যই জুলাই গণভুত্থানে আমরা সকলেই অংশগ্রহণ করেছিলাম।

এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, আমরা স্পষ্টভাবেই এটা বলতে চাই যে, বাংলাদেশের আমরা সীমান্তের ওপারে দেখছি নানা অস্থিরতা। সেখানকার মুসলমানদের নির্যাতন করা হচ্ছে, দমন-পীরণ করা হচ্ছে এবং বাংলাদেশেও এটা প্রোপাগান্ডা করার চেষ্টা করা হবে- এদেশের মুসলমানরা এদেশের হিন্দুদের নির্যাতন করছে। এই মিথ্যা প্রচার করে তারা সেখানে মুসলমানদের হত্যাকাণ্ড জায়েজ করবে। কিন্তু আমরা দেখেছি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরও এই মাদ্রাসার ছাত্ররা মন্দির পাহারা দিয়েছিল এবং এদেশের হিন্দুদেরকে যদি কেউ কোনো ধরনের কিছু করার চেষ্টা করবে আমরা আমাদের ভাইদের রক্ষা করার জন্য প্রস্তুত আছি ইনশল্লাহ।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech