শিরোনাম :
আপিল বিভাগের নবনিযুক্ত বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন হাবিবুল গনি কাপ্তাই হ্রদের পানিতে ডুবেছে ঝুলন্ত সেতু, বাঘাইছড়ির নিম্নাঞ্চল প্লাবিত- খুলে দেওয়া হয়েছে ১৬টি জলকপাট গুম বিশ্বের নিকৃষ্টতম অপরাধগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর: প্রধানমন্ত্রী গুমের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত মাস্টার মাইন্ডদেরও বিচার করতে হবে ইউক্রেনের অস্ত্রভাণ্ডারে রুশ ড্রোন হামলা: নিহত অন্তত ৩৭ জন চাকরি হারাতে পারে দেশের ছয় লাখ মানুষ, দারিদ্র্য পরিস্থিতি অবনতির শঙ্কায় বিশ্বব্যাংক আজ আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস দেশের ৮ অঞ্চলের ওপর অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার সাথে রয়েছে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা নেপাল ও চীনে বন্যায় নিহত বেড়ে ৫৮৪, নিখোঁজ প্রায় ২৫০০ ঢাকার যানজট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর সাত নির্দেশনা

গোমতী নদীর পানি বিপদসীমার কাছাকাছি : উৎকণ্ঠায় বাসিন্দারা

  • ১২:৫৯ পিএম, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই, ২০২৫
ছবি: সংগৃহিত

।।বিকে ডেস্ক রিপোর্ট।।
টানা ভারী বর্ষণ আর উজান থেকে নেমে আসা ঢলে গোমতী নদীর পানি প্রতি মুহূর্তে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে নদী তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের মাঝে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। গত বছরের বন্যার ক্ষতি এখনো পুষিয়ে উঠতে না পারা এসব মানুষ এখন আরেকটি বন্যার মুখোমুখি। ফলে আতঙ্কে দিন কাটছে তাদের।

বৃহস্পতিবার ১০ জুলাই সকাল ৯টায় গোমতী নদীর পানি ৯ দশমিক ৬৮ মিটার দিয়ে প্রবাহিত হতে দেখা গেছে। এ নদীর বিপদসীমা ১১ দশমিক ৩ মিটার। সুতরাং এখন বিপদসীমার মাত্র ১ দশমিক ৬২ মিটার নিচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় (মঙ্গলবার-বুধবার) টানা ভারী বর্ষণ হয়েছে। বৃহস্পতিবার ভোর থেকে আবার শুরু হয়েছে অঝোর বৃষ্টি, সকাল ৮টা পর্যন্ত টানা বর্ষণ চলে। সকাল ১০টার দিকে এ প্রতিবেদন লেখার সময় বৃষ্টি থেমেছে।

বৃষ্টি থামলেও থেমে নেই ভারতের উজান থেকে নেমে আসা ঢল। ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে ভারী বর্ষণ হচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে। সেখানকার পানি আসছে গোমতী নদীতে। ফলে নদীর কুমিল্লা অংশে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাত ১২টা পর্যন্ত গোমতী নদীর পানি ছিল বিপৎসীমার ৯ দশমিক ৪২ মিটারে। বুধবার সকাল ৮টায় পানি ছিল বিপৎসীমার ৮ মিটারে। বুধবার দিনব্যাপী নদীর পানি ১ দশমিক ৪২ মিটার বৃদ্ধি পেয়েছে। বুধবার রাত ১২টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত নদীটির পানি বেড়েছে শূন্য দশমিক ২৬ মিটার। ৪৮ ঘন্টায় গোমতী নদীর পানি বেড়েছে ৫ থেকে ৬ মিটারের মতো।

কুমিল্লা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী খান মো. ওয়ালিউজ্জামান ঢাকা পোস্টকে বলেন, বুধবার রাতে ভারী বর্ষণ ছিল না। ভোরে আবার বর্ষণ ছিল। এখন আবার নেই। পানির প্রবাহ কিছুটা কম গতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে উজান থেকে নেমে আসা ঢল বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত আমরা নিশ্চিত হতে পারছি না।

অন্যদিকে, গত বছরের বন্যার ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে না পারা মানুষজন নতুন করে বন্যার মুখোমুখি হতে যাচ্ছে। এসব মানুষের উৎকন্ঠা গেল বছরের চেয়েও বেশি।

আমির আলী নামে নদী পাড়ের এক বাসিন্দা বলেন, একটা বছরও পার হলো না, নতুন করে আবার বন্যার আশঙ্কা। গত বছর বন্যায় ঘর তলিয়ে গিয়েছিল। স্থানীয়দের সহযোগিতায় নতুন ঘর পেয়েছি। এটাও যদি ভেসে যায়, এবার আর কোনো উপায় থাকবে না।

খোরশেদা বেগম নামে এক বাসিন্দা বলেন, বন্যা এলে সবারই দুর্গতি। গত বছর আমাদের দুর্গতি সারা দেশের মানুষ দেখেছে। এখন আবার আমরা বন্যার সম্মুখীন। কী বলব ভাষা নেই।

কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) পঙ্কজ বড়ুয়া ঢাকা পোস্টকে বলেন, গোমতীর পানি বৃদ্ধির লক্ষণ দেখা মাত্র আমরা ৫৮৬টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করেছি। পর্যাপ্ত শুকনো খাবার এবং সরকারি চাল মজুদ আছে। সব উপজেলায় নির্বাহী কর্মকর্তাসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।  সংকলিত, সূত্র-ঢাকা পোষ্ট।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech