শিরোনাম :
দেশের কল্যাণে ব্যক্তিগত উদ্যোগে কাজ করা মানুষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : প্রধানমন্ত্রী চুক্তি শিগগিরই নিষেধাজ্ঞা শিথিল করে রাশিয়ার কাছ থেকে ডিজেল কিনছে যুক্তরাষ্ট্র অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো অভিযানের পরিকল্পনা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাম উপসর্গে এক দিনে আরও ৭ জনের মৃত্যু মানবতাবিরোধী অপরাধ : ১০ বছরের সাজা থেকে খালাস চেয়ে ইনুর আপিল বিএনপির বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক সালাহউদ্দিন আহমেদের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক সালাহউদ্দিন আহমেদের মৃত্যুতে রাজনীতিতে শূন্যতা তৈরি হলো: রিজভী ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরই ইউক্রেনের ৬ জ্বালানি স্থাপনায় রাশিয়ার হামলা বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল তেলের দাম ৩০ ঘণ্টা পর অবরুদ্ধ চুয়েট ভিসি উদ্ধার: হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষণে

জি এম কাদের ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ করেছে এনবিআর

  • ০১:২২ পিএম, সোমবার, ২৪ মার্চ, ২০২৫
ছবি: ফাইল ফটো

।।বিকে রিপোর্ট।।
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের ও তার স্ত্রী শেরীফা কাদেরের ব্যাংক হিসাব জব্দ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

রবিবার ২৩ মার্চ এনবিআরের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স থেকে পাঠানো এক চিঠির সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

এনবিআরের চিঠি অনুসারে, ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে এই হিসাবগুলোর সর্বশেষ ব্যালেন্সের প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। এই চিঠি দেশের সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান বরাবর দেওয়া হয়েছে।

পৃথক আরেকটি চিঠিতে কর কর্তৃপক্ষ ব্যাংকগুলোকে জিএম কাদের, তার স্ত্রী, তার মেয়ে ইশরাত জাহান কাদের ও তার জামাতা অভিনেতা মাহফুজ আহমেদের সকল ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক হিসাবগুলোর বিবরণ সরবরাহ করার নির্দেশ দিয়েছে। ব্যাংকগুলোকে সাত কার্যদিবসের মধ্যে তথ্য জমা দিতে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০ মার্চ থেকে চাঁদাবাজি, মনোনয়ন বাণিজ্য ও দলীয় ফান্ডের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের (জি এম কাদের) ১৯৯৬ সাল থেকেই বিভিন্ন আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৯-২০১৪ সালে তিনি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন।

গত ২০ মার্চ দুদক মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন বলেন, গোপন অনুসন্ধানে জি এম কাদেরের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের প্রাথমিক প্রমাণ মিলেছে। তাই প্রকাশ্য অনুসন্ধানের মাধ্যমে আইনি ব্যবস্থা নিতে কমিশন থেকে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

জি এম কাদের জালিয়াতির মাধ্যমে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হন এবং দলীয় পদ বাণিজ্য ও মনোনয়ন বাণিজ্যের মাধ্যমে বিপুল অর্থ সংগ্রহ করেন, যা পরে বিদেশে পাচার করা হয়। জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটি ৩০১ সদস্যবিশিষ্ট হলেও বর্তমানে ৬০০ থেকে ৬৫০ জনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা পদ বাণিজ্যের প্রমাণ।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech