শিরোনাম :
স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো ‘আয়নাঘর’ থাকবে না : রাষ্ট্রপতি ভারতীয় ব্যবসায়ীদের হিলি দিয়ে পণ্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা- অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ স্থলবন্দর সেপ্টেম্বর থেকে ২ লাখ শ্রমিক নেওয়া শুরু করবে মালয়েশিয়া আপিল বিভাগের নবনিযুক্ত বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন হাবিবুল গনি কাপ্তাই হ্রদের পানিতে ডুবেছে ঝুলন্ত সেতু, বাঘাইছড়ির নিম্নাঞ্চল প্লাবিত- খুলে দেওয়া হয়েছে ১৬টি জলকপাট গুম বিশ্বের নিকৃষ্টতম অপরাধগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর: প্রধানমন্ত্রী গুমের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত মাস্টার মাইন্ডদেরও বিচার করতে হবে ইউক্রেনের অস্ত্রভাণ্ডারে রুশ ড্রোন হামলা: নিহত অন্তত ৩৭ জন চাকরি হারাতে পারে দেশের ছয় লাখ মানুষ, দারিদ্র্য পরিস্থিতি অবনতির শঙ্কায় বিশ্বব্যাংক আজ আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস

তিস্তার পানি বিপদসীমায় – ফের বন্যার শঙ্কা

  • ০১:১০ পিএম, শনিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৫
ছবি: ফাইল ফটো

।।বিকে রিপোর্ট।।
গত কয়েক দিনের ভারি বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি ডালিয়া পয়েন্টে বিপদসীমা ছূঁই ছুঁই হয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

শুক্রবার ৮ আগস্ট রাত ৯টার দিকে এ পয়েন্টে পানির সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ৫২ দশমিক ১৫ মিটার, যা বিপদসীমার ওপরে। উল্লেখ্য, দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজে বিপদসীমা ধরা হয় ৫২ দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার।

এতে করে লালমনিরহাটসহ চার জেলার নদী তীরবর্তী এলাকায় নতুন করে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত ডালিয়ায় পানি ২৯ সেন্টিমিটার বেড়েছে। বর্তমানে পানি ধীর গতিতে বাড়ছে।

তবে ভারতের উজানে পশ্চিমবঙ্গের দোমোহনী ও গজলডোবা এলাকায় পানির স্তর কিছুটা কমেছে। দোমোহনীতে সকাল ৯টায় পানি ছিল ৮৫ দশমিক ৫৯ মিটার, রাত ৮টায় তা নেমে দাঁড়িয়েছে ৮৫ দশমিক ৫২ মিটারে। ১১ ঘণ্টায় পানি কমেছে ৭ সেন্টিমিটার। একই সময়ে গজলডোবা ব্যারাজে পানি ৫ সেন্টিমিটার কমেছে।

উজানে পানির এমন প্রবণতা থাকলেও রাত ১২টা পর্যন্ত তিস্তায় পানি কিছুটা বাড়তে পারে। এরপর তা স্থিতিশীল থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে, তিস্তা অববাহিকায় আগামী ৭২ ঘণ্টায় ভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে তিস্তার পানি আবার বাড়তে পারে এবং নতুন করে বন্যার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

বিশেষ করে লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর ও কুড়িগ্রাম জেলার তিস্তা নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলগুলোতে এই ঝুঁকি বেশি বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, পানি কিছুটা বেড়েছে ঠিকই, তবে এখনো বড় ধরনের বন্যার আশঙ্কা নেই। আমরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছি।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech