শিরোনাম :
সরকারি দপ্তরে এআই ব্যবহারে সতর্কতার নির্দেশ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ফেনীতে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে অচল ফিলিং স্টেশন, বাসাবাড়িতে দুর্ভোগ চরমে ডিএমপির ২৪ ঘণ্টার অভিযানে ৪১৯ জন গ্রেপ্তার, ৭১ মামলা তিস্তা-দুধকুমার অববাহিকায় বন্যার শঙ্কা, ঝুঁকিতে পাঁচ জেলা ৭২-এর সংবিধান শুরু থেকেই দেশকে বিভাজিত করে রেখেছে: নাহিদ ইসলাম গাজায় ইসরায়েলি হামলা: একদিনে নিহত ১৯ লাগামছাড়া বাজার নিয়ন্ত্রণে কাঁচা মরিচ আমদানির অনুমতি দিল সরকার তরুণ উদ্ভাবকরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ, উদ্ভাবন ও স্টার্টআপ উদ্যোগে সরকার সবসময় পাশে থাকবে: প্রধানমন্ত্রী ৩ বিভাগে মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে, ঢাকায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা দুবাইয়ে বেনজীরের জামিন বাতিলের জন্য ল ফার্ম নিয়োগ করেছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৪০ দিন অফিস বন্ধ, তবুও তেলের ভাউচার ৫ কোটি

  • ০১:১৩ পিএম, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
ছবি: সংগৃহিত

।।বিকে ডেস্ক।।
ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটির করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র হিসেবে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার দাবিতে বিএনপির নেতা-কর্মীদের আন্দোলনে মে-জুন মিলিয়ে ৪০ দিন সেবা কার্যক্রম বন্ধ ছিল। অথচ ওই সময়ে জ্বালানি তেল বাবদ প্রায় ৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ হয়েছে, এমন অভিযোগ খতিয়ে দেখতে অভিযান চালাচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

রবিবার ৭ সেপ্টেম্বর দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে ডিএসসিসির কার্যালয়ে এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে দুদকের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম বলেন, নগর ভবন ৪০ দিন বন্ধ, তবু কোটি টাকার তেল খরচ, এই তেল গেল কোথায়? ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তাদের জন্য বরাদ্দকৃত গাড়ির জ্বালানি তেলের ভুয়া খরচ দেখিয়ে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আজ দুদকের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অভিযান শেষে বিস্তারিত বলা যাবে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র হিসেবে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার দাবিতে বিএনপির নেতা-কর্মী ও সিটি করপোরেশনের কিছু কর্মচারীর আন্দোলনের কারণে চলতি বছরের ১৪ মে থেকে ২৩ জুন পর্যন্ত ৪০ দিন নগর ভবনের সেবা কার্যক্রম বন্ধ ছিল।

সংস্থাটিতে প্রতি মাসে জ্বালানি খাতে খরচ হয় প্রায় ৫ কোটি টাকা। এপ্রিল, মে ও জুন মাসের খরচ বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মে ও জুন মাসে নগর ভবন ৪০ দিন বন্ধ থাকলেও খরচ হয়েছে স্বাভাবিক সময়ের সমান তেল। অথচ এই সময়ে কার্যত কোনো অফিস কার্যক্রম ছিল না। এ ধরনের কার্যকলাপ সরাসরি দুর্নীতি ও রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বর্তমানে সংস্থাটিতে কর্মকর্তারা ৯১টি গাড়ি ব্যবহার করছেন। মোটরসাইকেল ব্যবহার করছেন ১০১টি। এ ছাড়া বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কাজে নিয়োজিত যানবাহনসহ বাকি কাজে ব্যবহৃত মোট গাড়ি ৪১৮টি। সংস্থাটিতে বর্তমানে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বর্জ্য-উচ্ছেদ অভিযানে ব্যবহারের গাড়ি মোট ৬১০টি। প্রতি মাসে জ্বালানি বাবদ সংস্থাটির খরচ হয় প্রায় ৫ কোটি টাকা। এসব যানবাহনের পেছনে শুধু জ্বালানি বাবদই বছরে ৬০ কোটি টাকার বেশি ব্যয় হচ্ছে। জ্বালানির ওই ব্যবহার অনেকটাই কাগজে–কলমে বলে অভিযোগ উঠেছে।

সূত্র: ঢাকা পোস্ট

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech