৩ দিনের টানা বর্ষন ও উজানের পাহাড়ি ঢলে আখাউড়ায় সীমান্তবর্তী নিচু এলাকা প্লাবিত

ছবি: সংগৃহিত

।।বিকে ডেস্ক রিপোর্ট।।
গত তিন দিনের টানা বর্ষণ এবং ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া সীমান্তবর্তী কয়েকটি গ্রামের নীচু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। ডুবে গেছে রাস্তা ঘাট। বাড়ির উঠানে পানি আসায় স্বাভাবিক চলাফেরায় সমস্যায় পড়েছেন বাসিন্দারা। 

জানা  যায়, স্থলবন্দরের পাশ দিয়ে বয়ে চলা কলন্দি খাল, কালিকাপুর হয়ে আব্দুল্লাপুর দিয়ে জাজি গাং, বাউতলা দিয়ে মরা গাং ও মোগড়া ইউনিয়ন দিয়ে বয়ে যাওয়া হাওড়া নদী দিয়ে অস্বাভাবিক ভাবে পানি ঢোকার কারণে তলিয়ে যাচ্ছে ওইসব গ্রামের রাস্তা-ঘাট।

রবিবার ১ জুন সরেজমিনে দেখা যায়, হাওড়া নদীর বিভিন্ন অংশে পানির প্রবল চাপ সৃষ্টি হয়েছে। বেশ কয়েকটি ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে স্থানীয় বাসিন্দারা নিজেদের উদ্যোগে বালুভর্তি প্লাস্টিকের বস্তা দিয়ে পানি আটকানোর চেষ্টা করছেন।

কলন্দি খাল, কালিকাপুর, আব্দুল্লাহপুর, জাজিগাং, বাউতলা হয়ে মোগড়া ইউনিয়ন দিয়ে প্রবাহিত হাওড়া নদীর পানি অনেক বেড়েছে। এতে উপজেলার দক্ষিণ ইউনিয়নের কালিকাপুর, বীরচন্দ্রপুর, আব্দুল্লাহপুর ও বঙ্গেরচর গ্রামের বিভিন্ন সড়ক ও জমি পানিতে তলিয়ে গেছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, গতকাল শনিবার রাত থেকেই নদী ও খাল দিয়ে পানি ঢুকছে, ফলে এসব এলাকার মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে।

এছাড়া মনিয়ন্দ ইউনিয়নের ইটনা, আইড়ল গ্রামে পানি ঢুকেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, গত রাত থেকে এসব নদী, খাল দিয়ে পানি ঢুকছে। এতে করে এসব গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মনজুর রহমান বলেন, হাওড়া নদীর পানি স্বাভাবিকের চেয়ে ৩০ থেকে ৪০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে। তবে বিপদসীমা পার করেনি। বিপদসীমা থেকে ২ মিটার নিচে রয়েছে।

এই ব্যাপারে আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জি. এম. রাশেদুল ইসলাম বলেন, ‘সকাল থেকে আমি উপজেলা প্রকৌশলসহ দূর্গত এলাকায় রয়েছি। সীমান্ত এলাকা কিছু নীচু এলাকায় পানি প্রবেশ করেছে। আমরা হাওড়া বাঁধ রক্ষায় কাজ করছি। হাওড়া বাঁধ না ভাঙলে বেশি সমস্যা হবে না। আমরা দূর্গতদের পাশে রয়েছি। সংকলিত।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech