শিরোনাম :
গুমের আগে কোথায় কীভাবে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন, রোমহর্ষক বর্ণনা গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশ পুনর্বহালের দাবিতে সংসদ ভবনের সামনে জামায়াত-জোটের অবস্থান ‘মক্কা চুক্তি’ বাস্তবায়নের প্রথম বৈঠক ইস্তাম্বুলে সাবেক সেনাপ্রধান শফিউদ্দিনকে দুদকে তলব স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো ‘আয়নাঘর’ থাকবে না : রাষ্ট্রপতি ভারতীয় ব্যবসায়ীদের হিলি দিয়ে পণ্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা- অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ স্থলবন্দর সেপ্টেম্বর থেকে ২ লাখ শ্রমিক নেওয়া শুরু করবে মালয়েশিয়া আপিল বিভাগের নবনিযুক্ত বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন হাবিবুল গনি কাপ্তাই হ্রদের পানিতে ডুবেছে ঝুলন্ত সেতু, বাঘাইছড়ির নিম্নাঞ্চল প্লাবিত- খুলে দেওয়া হয়েছে ১৬টি জলকপাট গুম বিশ্বের নিকৃষ্টতম অপরাধগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর: প্রধানমন্ত্রী

‘মক্কা চুক্তি’ বাস্তবায়নের প্রথম বৈঠক ইস্তাম্বুলে

  • ০৬:৫১ পিএম, রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬
ছবি: ফাইল ফটো

।।বিকে আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।
‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ বাস্তবায়নে প্রথম কমিটি বৈঠকে সোমবার ইস্তাম্বুলে বসছে।

বৈঠকে তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তান তিন দেশের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী, পাশাপাশি সামরিক প্রধানরা অংশ নেবেন।

তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র রয়টার্সকে জানিয়েছেন, তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের শীর্ষ কর্মকর্তারা চলতি মাসে স্বাক্ষরিত যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির অধীনে প্রথম কমিটি বৈঠকের জন্য সোমবার ইস্তাম্বুলে জড়ো হচ্ছেন।

৭ আগস্ট স্বাক্ষরিত ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ ইরান যুদ্ধ ও আঞ্চলিক সংঘাত নিয়ে উদ্বিগ্ন যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র এই তিন সুন্নি মুসলিম দেশকে একত্রিত করেছে।

এই জোটের লক্ষ্য হলো যে কোনো আগ্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা। চুক্তিতে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, এই তিন দেশের যে কোনো একটির ওপর সশস্ত্র আক্রমণকে সবার ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হবে। এটি অনেকটা নেটোর ৫ নম্বর অনুচ্ছেদের সম্মিলিত প্রতিরক্ষা ধারার অনুরূপ।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওই সূত্র জানিয়েছেন, তিন দেশের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর পাশাপাশি তাদের সামরিক প্রধানরাও ইস্তাম্বুলের বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন।

তিনি বলেন, “বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়গুলোও থাকবে।”

আলোচনায় প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, সশস্ত্র বাহিনীগুলোর মধ্যে একত্রে কাজ করার সক্ষমতা বাড়ানো এবং যৌথ উৎপাদন ও উন্নয়নসহ প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা জোরদারের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

রয়টার্স লিখেছে, এই তিনটি দেশই ইসরায়েল ও শিয়া সংখ্যাগরিষ্ঠ ইরানের সামরিক অবস্থান নিয়ে উদ্বেগের অংশীদার। তাদের দীর্ঘদিনের মিত্র পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্র পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতা সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে।

ফেব্রুয়ারিতে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া যুদ্ধের ছয় মাস পার হলেও আলোচনার মাধ্যমে সংঘাত অবসানের কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি। শান্তি আলোচনা অচলাবস্থায় পড়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে চাপে রাখার প্রচেষ্টা জোরদার করেছে, যাকে তারা “অর্থনৈতিক ডি-ডে” হিসেবে অভিহিত করেছে।

পশ্চিমা নেটো জোটের দ্বিতীয় বৃহত্তম সামরিক শক্তির অধিকারী দেশ তুরস্ক জানিয়েছে, পারমাণবিক শক্তিধর পাকিস্তান ও শীর্ষ তেল রপ্তানিকারক সৌদি আরবের সঙ্গে করা এই চুক্তি সম্প্রসারণযোগ্য। পরবর্তীতে মিশরের এই জোটে যোগদানের সম্ভাবনাও রয়েছে।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech