শিরোনাম :
গুমের আগে কোথায় কীভাবে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন, রোমহর্ষক বর্ণনা গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশ পুনর্বহালের দাবিতে সংসদ ভবনের সামনে জামায়াত-জোটের অবস্থান ‘মক্কা চুক্তি’ বাস্তবায়নের প্রথম বৈঠক ইস্তাম্বুলে সাবেক সেনাপ্রধান শফিউদ্দিনকে দুদকে তলব স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো ‘আয়নাঘর’ থাকবে না : রাষ্ট্রপতি ভারতীয় ব্যবসায়ীদের হিলি দিয়ে পণ্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা- অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ স্থলবন্দর সেপ্টেম্বর থেকে ২ লাখ শ্রমিক নেওয়া শুরু করবে মালয়েশিয়া আপিল বিভাগের নবনিযুক্ত বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন হাবিবুল গনি কাপ্তাই হ্রদের পানিতে ডুবেছে ঝুলন্ত সেতু, বাঘাইছড়ির নিম্নাঞ্চল প্লাবিত- খুলে দেওয়া হয়েছে ১৬টি জলকপাট গুম বিশ্বের নিকৃষ্টতম অপরাধগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর: প্রধানমন্ত্রী

চবি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয়দের ২য় দিনেও দফায় দফায় সংঘর্ষ

  • ০৩:৩৬ পিএম, রবিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৫
ছবি: সংগৃহিত

।।বিকে রিপোর্ট।।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আবার নতুন করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ চলছে। এখন পর্যন্ত ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো সদস্যের উপস্থিতি দেখা যায়নি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও পরিস্থিতি নিয়স্ত্রণে ব্যর্থ হয়েছে বলে জানিয়েছেন।

রবিবার ৩১ আগস্ট দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে দুই পক্ষের মধ্যে দ্বিতীয় দিনের মতো সংঘর্ষ শুরু হয়।

জানা গেছে, স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে সমঝোতা করতে গেলে তারা শিক্ষার্থীদের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। পরে দুই পক্ষই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। আজকের দফায় দফায় সংঘর্ষে আহত হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন, প্রক্টর অধ্যাপক ড. তানভীর মোহাম্মদ হায়দার আরিফসহ প্রায় ৩৫ জন শিক্ষার্থী।

সংঘর্ষে উভয় পক্ষ ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও লাঠিসোটা ব্যবহার করে হামলা চালায়, যার কারণে এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এতে কয়েকজন শিক্ষার্থী স্থানীয় বাসিন্দাদের বাড়িঘর লক্ষ্য করে পাথর ছুঁড়তে দেখা গেছে। একপক্ষ লাটিসোটা নিয়ে বাচার দোকান এলাকায় অবস্থান নিয়েছিল, অন্যপক্ষ লন্ডনি বিল্ডিংয়ে।

ঘটনার সময় কোনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী উপস্থিত ছিলেন না।

উল্লেখ্য, এর আগে ঘটনার শুরু হয় গতকাল শনিবার ৩০ আগস্ট রাত সোয়া ১১টার দিকে। দর্শন বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থীকে দেরিতে ভবনে প্রবেশের কারণে দারোয়ান মারধর করলে উত্তেজনার সূত্রপাত হয়। শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদে স্থানীয়রা ইটপাটকেল ছোড়ে এবং রাতভর সংঘর্ষে অন্তত ৭০ শিক্ষার্থী আহত হন।

সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে রোববার দুপুরে আবারও দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে স্থানীয়রা এলাকায় টহল দিতে থাকে। খবর পেয়ে দলবেঁধে শিক্ষার্থীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে ফের সংঘর্ষ শুরু হয়।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দেড় কিলোমিটার দূরে হাটহাজারী মডেল থানা ও আট কিলোমিটার দূরে রয়েছে চট্টগ্রাম সেনানিবাস। তবুও এখন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি দেখা যায়নি।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতির বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানান, তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ক্যাম্পাসে মোতায়েন করতে। তবে তারা সফল হচ্ছে না।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech