সৌদি আরবের রিয়াদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে সিআইএ স্টেশনে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। সোমবারের (২ মার্চ) এই হামলায় ইরানি ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে বলে মঙ্গলবার (৩ মার্চ) রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট
ইরানের যেকোনো হামলা মোকাবিলা এবং নিজেদের নিরাপত্তা ও নাগরিকদের রক্ষায় সব ধরনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সৌদি আরব। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এসপিএ এ তথ্য জানিয়েছে। সৌদি আরবের মন্ত্রিসভা
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ) জানিয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে এক হাজার ৯৭ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। সংস্থাটি জানায়, নিহত ব্যক্তিদের
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ছেলে মোজতবা। বুধবার এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম ইরান ইন্টারন্যাশনাল। সংবাদমাধ্যমটি বলেছে, বিপ্লবী গার্ডের চাপে ইরানের এসেম্বলি অব এক্সপার্ট মোজতবাকে নতুন
দখলদার ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ব্যাপক প্রতিবাদ বিক্ষোভ হয়। এর মধ্যে অন্যতম ছিল পাকিস্তান। দেশটির করাচিতে মার্কিন
ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরানে হামলার করার পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে সংঘাত ছড়িয়ে পড়েছে। বিশ্বের জ্বালানি করিডোরখ্যাত হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের রেভল্যুশনারী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। এতে হুহু করে বাড়ছে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে বাড়তে থাকা সংঘাত ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে। টানা হামলা-পালটা হামলায় অস্থির হয়ে উঠেছে পুরো অঞ্চল। এই পরিস্থিতিতে কোটি কোটি মানুষ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন। এর
ইরান পরমাণু অস্ত্র তৈরি করছে বলে যে অজুহাত দেখিয়ে দেশটিতে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল তার প্রমাণ মেলেনি। আজ মঙ্গলবার(৩ মার্চ) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে রাশিয়া। মস্কো জানায়, ইরান
ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৭৮৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। মার্কিন ভিত্তিক ইরানের মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে ১৭৬ জন শিশু এবং
ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় প্রথম ২৪ ঘণ্টাতেই যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় হয়েছে আনুমানিক ৭৭৯ মিলিয়ন ডলার। এই বিপুল পরিমাণ অর্থ ২০২৬ সালের পুরো মার্কিন প্রতিরক্ষা বাজেটের প্রায় ০.১ শতাংশের সমান। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি)