।।বিকে রিপোর্ট।।
বাংলাদেশের ৮ টি বিভাগের মধ্যে ৭ টি বিভাগের উপরে তাপ-প্রবাহ ছড়িয়ে পড়েছে। কিছু কিছু জায়গায় তা তীব্র তাপপ্রবাহে রূপ নিয়েছে।
এবারের ঈদুল ফিতরও কাটবে তাপপ্রবাহের মধ্য দিয়ে। নেই বৃষ্টিপাতের তেমন কোনো সম্ভাবনা।
রবিবার ৩০ মার্চ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে এ তথ্য জানা গেছে।
পূর্বাভাসে জানায়, সোমবার ও মঙ্গলবারের দিকে ঢাকাসহ দেশের মধ্যাঞ্চল, খুলনা অঞ্চল ও রাজশাহী অঞ্চলে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পাবে। দেশের অন্যান্য স্থানেও আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। বৃষ্টিপাতের কোনো সম্ভাবনা নেই। তবে কালবৈশাখীর মৌসুম হওয়ায় স্থানীয়ভাবে কিছু কালবৈশাখী ঝড় বয়ে যেতে পারে।
রবিবার সকাল পর্যন্ত দেওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
যশোর ও সিরাজগঞ্জ জেলা সমূহের ওপর দিয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ এবং মৌলভীবাজার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও রাঙ্গামাটি জেলাসহ রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের অবশিষ্টাংশ এবং ঢাকা ও বরিশাল বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপ প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। সবমিলিয়ে বর্তমানে ১৭টি জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে তাপপ্রবাহ।
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে যশোরে ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৮ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
অন্যদিকে বেসরকারী আবহাওয়া বিষয়ক ওয়েবসাইট আবহাওয়া ডট কম জানিয়েছে, রবিবার ৩০ মার্চ দেশের ৮ টি বিভাগের উপরেই তাপ-প্রবাহ ছড়িয়ে পড়ার প্রবল আশংকা করা যাচ্ছে।
গতকাল দেশের ৭ টি বিভাগে তাপ-প্রবাহ অব্যহত ছিল। শনিবার মার্চ দুপুর ৩ টার সময় খুলনা বিভাগের যশোর জেলার উপর ৩৯ দশমিক ২ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।
আজকে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, খুলনা ও রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন জেলা সহ দেশের একাধিক জেলায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রী সেলসিয়াস অতিক্রম করার প্রবল আশংকা করা যাচ্ছে। যা হবে সর্ব-কালের মার্চ মাসের সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড হতে পারে।
তাপ-প্রবাহের সময় সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকে শিশু ও বয়স্ক মানুষরা। এই তাপ-প্রবাহের সময় শিশু ও বয়স্ক মানুষদের নিয়ে দিনের বেলা ঈদের কেনা-কাটা করা থেকে সম্পূর্ণ রূপে বিরত থাকুন। তাপ-প্রবাহের কারণে হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত মানুষের মৃত্যু কিংবা চূড়ান্ত রূপে শারীরিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই সকলের জন্য সতর্কতা অত্যন্ত জরুরী।