।।বিকে রিপোর্ট।।
৩৫ বছর পর অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোট গণনা সরাসরি ১৪টি এলইডি স্ক্রিনে দেখানো হচ্ছে।
বুধবার ১৫ অক্টোবর সকাল ৯টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।
চাকসুর উৎসবমুখর ভোটে বাড়তি মাত্রা যোগ করেছে এই ডিজিটাল স্ক্রিন। এক কেন্দ্রের ভোটার অন্য কেন্দ্রে প্রবেশাধিকার না থাকায় তারাও এসে এই স্ক্রিনে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করছেন। আবার ভোট দেওয়া শেষে কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে মনিটরে পর্যবেক্ষণ করতে পারছে স্ক্রিনের মাধ্যমে।
সর্বিক বিষয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) উপ-উপাচার্য অধ্যাপক কামাল উদ্দিন বলেন, শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে প্রথমবারের মতো ভোটকেন্দ্র ও আশপাশ এলাকা সিসিটিভির আওতায় আনা হয়েছে। বড় স্ক্রিনের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ ও ফলাফলের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
চাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে ১৩ প্যানেলসহ মোট প্রার্থী হয়েছেন ৯০৮ জন। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় সংসদে ২৬টি পদে ৪১৫ জন প্রার্থী। সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে ২৪ জন, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ২২ জন, সহ-সাধারণ সম্পাদক এজিএস পদে ২১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এ ছাড়া ১৪টি হল সংসদে লড়বেন ৪৭৩ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে ছাত্রদের ৯টি হল ও ১টি হোস্টেল মিলে ৩৫০ জন এবং ছাত্রীদের ৫টি হলে ১২৩ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন।
১৯৭৩ সালের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী, প্রতি বছর ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন হওয়ার কথা। যদিও ১৯৬৬ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর এখন পর্যন্ত ছাত্র সংসদ নির্বাচন হয়েছে মাত্র ছয়বার। এর মধ্যে প্রথম নির্বাচনটি হয় ১৯৭০ সালে; আর সবশেষ নির্বাচনটি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯০ সালে।