শিরোনাম :
বাংলাদেশ থেকে আসা ‘হিন্দু শরণার্থীরা’ দ্রুত নাগরিকত্বের সনদ পাবে: শুভেন্দু অধিকারী মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানগণের সৌজন্য সাক্ষাৎ হামের উপসর্গে আরও ৫ জনের মৃত্যু চলতি অর্থবছরেই দেশের সব স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ৩২৭ রাউন্ড গুলিসহ নারী আটক, অস্ত্র উদ্ধার মানিকগঞ্জে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত বিরোধী দলকে সহিংস না হয়ে গঠনমূলক সমালোচনার পরামর্শ টাইফুন নাররার আঘাতে চীন-ভিয়েতনামে বন্যা, বাস্তুচ্যুত লক্ষাধিক দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাজ্য থেকে দুই কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার

ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করার ঘটনায় শিক্ষার্থী-গ্রামবাসী সংঘর্ষ: রণক্ষেত্র যশোর বিশ্ববিদ্যালয়

  • ১২:৫৮ পিএম, বুধবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২৫
ছবি: সংগৃহিত

।।বিকে রিপোর্ট।।
এক ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করার ঘটনায় যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে গ্রামবাসীর ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে।

মঙ্গলবার ২৫ নভেম্বর সন্ধ্যায় স্থানীয় আমবটতলা বাজারের ব্যবসায়ীসহ গ্রামবাসীর সঙ্গে এই সংঘর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তত ২৫ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।

এদিকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী দেরিতে আসায় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ে মেডিকেল সেন্টারে উপাচার্য ও ট্রেজারারকে অবরুদ্ধ করে রাখেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের কেমিকৌশল বিভাগের একজন নারী শিক্ষার্থী একটি প্রজেক্টের কাজে আটবটতলা বাজারে এক মোবাইল ফোনের দোকানে গেলে সেই দোকানি তাকে উত্ত্যক্ত করে। ওই নারী শিক্ষার্থী তার সহপাঠীদের জানালে কয়েকজন শিক্ষার্থী সেই দোকানে গিয়ে প্রতিবাদ জানান।

এক পর্যায়ে তারা দোকানিকে মারধর করলে বাজারের অন্যান্য ব্যবসায়ী এবং স্থানীয় গ্রামবাসী শিক্ষার্থীদের ধরে পিটুনি দেয়। পরে ওই ঘটনা সংঘর্ষের রূপ নেয়।

এ সময় বিশ্বিবদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয়দের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া এবং ঢিল ছোড়াছুড়ি চলে। বিশ্ববিদ্যালয়ের এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

গ্রামবাসী রাস্তা অবরোধ করে এবং বিভিন্ন জিনিসপত্র জড়ো করে আগুন ধরিয়ে দেয়।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্ট্ররিয়াল বডি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। পরে সংঘর্ষ ব্যাপক আকার ধারণ করে।সেনাবাহিনী ও পুলিশের পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মো. ওমর ফারুক বলেন, এক ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করাকে কেন্দ্র করে এই সংঘর্ষ হয়। আমাদের প্রক্টরিয়াল বডিসহ অনেকে শিক্ষক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করেছি, কিন্তু আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী আসতে দেরি করায় পরিস্থিতি ঘোলাটে হয়ে যায়। সংঘর্ষে আমাদের বেশ কিছু শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। শিক্ষার্থীদের একাংশ রাতে ভিসি স্যারকে অবরুদ্ধ করে রাখে।

সংঘর্ষের তিন ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও কোনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে উপস্থিত না হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন শিক্ষার্থীরা। রাত ৯টার পরে সেনাবাহিনী ও পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech