শিরোনাম :
জাপানে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তুরাগ নদ থেকে বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার টাঙ্গাইলে ট্রেন লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের ট্রেন চলাচল বন্ধ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে বিরোধী নেতাদের বক্তব্য রাজনীতিকে ‘পয়েন্ট অব নো রিটার্নে’ নিয়ে যেতে পারে- এমরান সালেহ প্রিন্স স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা- মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬৮ : তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলে ৩০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ উন্নত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি হতে পারে, দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা বাংলাদেশ-জাপান ছয় সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর, ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলার ঋণ প্রতিশ্রুতি

৭১ দিনেই দেশে এসেছে ৬৭৩ কোটি মার্কিন ডলার

  • ০৯:৩৪ পিএম, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ছবি: ফাইল ফটো

।। বিকে ডেস্ক ।।
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরুতেই দেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে বড় ধরনের ইতিবাচক ধারার দেখা মিলেছে। প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এবং রপ্তানি উভয় খাতেই জোরালো প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে।

অর্থবছরের প্রথম ৭১ দিনেই দেশে এসেছে ৬৭৩ কোটি মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৯৫ কোটি ডলার বা ১৬ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি। গত বছরের এই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ৫৭৮ কোটি ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১ জুলাই থেকে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই বিপুল পরিমাণ প্রবাসী আয় দেশে এসেছে। এর মধ্যে কেবল চলতি সেপ্টেম্বরের প্রথম আট দিনেই এসেছে ৯০ কোটি ৪০ লাখ ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের (৮৮ কোটি ১০ লাখ ডলার) চেয়ে ২ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি।

এমনকি গত ৮ সেপ্টেম্বর এক দিনেই দেশে ১৩ কোটি ৩০ লাখ ডলারের বড় অঙ্কের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।

রেমিট্যান্সের পাশাপাশি রপ্তানি আয়েও ইতিবাচক হাওয়া বইছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাস অর্থাৎ জুলাই ও আগস্টে দেশে মোট ৫৮৩ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা গত বছরের একই সময়ের (৪৯০ কোটি ডলার) চেয়ে ১৮ দশমিক ৮৯ শতাংশ বেশি।

অন্যদিকে, এই দুই মাসে রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৭৫০ কোটি ডলার। এটি গত অর্থবছরের একই সময়ের ৭১১ কোটি ডলারের তুলনায় ৫ দশমিক ৪৩ শতাংশ বেশি।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, অর্থ পাচার ঠেকাতে কড়াকড়ি আরোপ এবং হুন্ডির প্রবণতা কমে আসার কারণেই মূলত ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স আসার হার বেড়েছে।

এর ফলে বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ বাড়ার পাশাপাশি ডলারের বাজারেও কিছুটা স্থিতিশীলতা তৈরি হয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের এই দুই প্রধান উৎসে এমন প্রবৃদ্ধি দেশের রিজার্ভ ধরে রাখতেও সহায়ক ভূমিকা রাখছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রেমিট্যান্সে ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধিও চোখে পড়ার মতো। সদ্য সমাপ্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রবাসীরা ব্যাংকিং চ্যানেলে ৩৫ দশমিক ৫৯ বিলিয়ন ডলার পাঠিয়েছিলেন, যা আগের অর্থবছরের চেয়ে ১৭ দশমিক ৩৪ শতাংশ বেশি। এর আগের ২০২৪-২৫ অর্থবছরেও রেমিট্যান্সে ২৬ দশমিক ৮৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছিল।

এই ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধির ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে দেশের সার্বিক রিজার্ভেও। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, গত অর্থবছর শেষে দেশের গ্রস রিজার্ভ বেড়ে ৩৭ দশমিক ৪১ বিলিয়ন ডলারে এবং নিট রিজার্ভ ৩২ দশমিক ৫০ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

বাজারে ডলারের সরবরাহ বাড়ায় আন্তব্যাংক বাজারে প্রতি ডলারের দর এখন ১২৩ টাকার আশপাশে স্থিতিশীল রয়েছে, যা গত মাসের শুরুতে ১২৩ টাকা ৮০ পয়সা পর্যন্ত উঠেছিল।

সুত্রঃ বিডি জার্নাল

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech