।।বিকে আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।
গাজা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’-এর ১৫ দফা পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করেছে ইসরায়েল।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, ফিলিস্তিনের মুক্তিকামী গোষ্ঠী হামাস পুরোপুরি অস্ত্রসমর্পণ না করা পর্যন্ত গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার করা হবে না।
এছাড়া নেতানিয়াহু বলেছেন, যতক্ষণ আমি প্রধানমন্ত্রী, গাজা বা পশ্চিমতীরে কোনো ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠিত হবে না।
রবিবার ৯ আগস্ট বার্তাসংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গাজা যুদ্ধ অবসানে নিজের পরিকল্পনায় বড় ধরনের অগ্রগতি অর্জনের কথা গত মাসেই ঘোষণা করেছিলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।
গত বছর ইসরায়েল ও হামাস উভয় পক্ষই এ পরিকল্পনায় সম্মতি জানিয়েছিল, যার সূচনা হয়েছিল যুদ্ধবিরতির মধ্য দিয়ে। তবে গত বছরের অক্টোবরে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার পরও গাজায় ধারাবাহিকভাবে হামলা চালিয়ে আসছে ইসরায়েলি বাহিনী।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের ইসরায়েলে ঢুকে হামলা চালানোর আগে প্রায় দুই দশক ধরে গাজা শাসন করে আসা হামাস অস্ত্র ছেড়ে দিতে রাজি হয়েছে।
সিএনএন এক প্রতিবেদনে জানায়, রবিবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত নেতানিয়াহ বলেন, ইসরায়েল গাজা বোর্ড অব পিসের ১৫ দফা প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করছে। হামাস যতক্ষণ পর্যন্ত সত্যিকার অর্থে অস্ত্র সমর্পণ না করবে আমাদের সেনারা সেখান থেকে সরবে না। এবং আমরা আমাদের সেনা ও জনগণের ওপর হুমকি প্রতিহত করে যাব।”
এ দখলদার আরও বলেন, যখন আমি হামাসকে নিরস্ত্রকরণের কথা বলি, তখন আমি ভারী অস্ত্র, হালাক অস্ত্র সব অস্ত্রকে বোঝাই। আমরা সত্যিকারের নিরস্ত্রকরণের কথা বলছি। কোনো কাল্পনিক নিরস্ত্রকরণ নয়।
তিনি আরও বলেছেন, আমরা মার্কিনিদের সঙ্গে এ নিয়ে আলোচনা করছি। তাদের কিছু আইডিয়া আছে, যেগুলোর কিছু আমাদের কাছে গ্রহণযোগ্য, কিছু গ্রহণযোগ্য নয়। আর আমরা জানি সেগুলো নিয়ে কিভাবে দাঁড়াতে হয়।
এদিকে গত সপ্তাহে হামাস প্রথমবারের মতো জানায় তারা তাদের ভারী অস্ত্র সমর্পণ করবে। তবে এজন্য আগে ইসরায়েলকে তাদের সেনাদের গাজা থেকে প্রত্যাহার করতে হবে।
বর্তমানে গাজা উপত্যকার প্রায় ৭০ শতাংশ অঞ্চল ইসরায়েলি সেনাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
সূত্র: সিএনএন/ রয়টার্স