Breaking News:


শিরোনাম :
৫ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার ইরানকে অস্ত্র না দিতে সি চিন পিংকে চিঠি ট্রাম্পের জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় ২ বিলিয়ন ডলার বৈশ্বিক সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী বনানীতে বহুতল ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ৫ ইউনিট সাবেক আওয়ামী মেয়র মনজুরের বাসায় গিয়ে তোপের মুখে হাসনাত আবদুল্লাহ বিকল্প শ্রম বাজারের সন্ধানে সরকারের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারি সভা-প্রশিক্ষণে ভার্চুয়াল অংশগ্রহণের নির্দেশ চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাড়ছে হামের প্রকোপ: লক্ষণ নিয়ে চিকিৎসাধীন ১০৩ রোগী হরমুজে বিধ্বস্ত হলো ২৪ কোটি ডলারের মার্কিন ড্রোন ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত ভ্যাট রিটার্ন দেওয়ার সুযোগ

কড়া নিরাপত্তায় ট্রাইব্যুনালে ১০ সেনা কর্মকর্তা

  • ০১:৩৭ পিএম, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২৫
ছবি: সংগৃহিত

।।বিকে রিপোর্ট।।
টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন সেলে (টিএফআই)এ গুম ও নির্যাতনের অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সেনাবাহিনীর ১০ কর্মকর্তাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। একই মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে।

বুধবার ৩ ডিসেম্বর সকাল ১০টা ২৩ মিনিটে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে তাদের প্রিজনভ্যানে করে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের বিশেষ কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

এদিন বেলা ১১টার পর ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের প্যানেলে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের শুনানি শুরু হয়। ট্রাইব্যুনালের অন্য সদস্যরা হলেন- বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

প্রথমে প্রসিকিউশন, এরপর আসামিপক্ষের আইনজীবীরা বক্তব্য উপস্থাপন করেন।পলাতক আসামিদের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন স্টেট ডিফেন্স আইনজীবীরা।

ট্রাইব্যুনালে হাজির করা ১০ সেনা কর্মকর্তা হলেন- র্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কামরুল হাসান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম, কর্নেল কেএম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন, কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান (অবসরকালীন ছুটিতে), কর্নেল মো. মশিউর রহমান (সাবেক পরিচালক, র্যাব গোয়েন্দা শাখা), লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারওয়ার বিন কাশেম।

পলাতক আসামিদের মধ্যে রয়েছেন- সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইজিপি ড. বেনজির আহমেদ, র্যাবের সাবেক মহাপরিচালক এম খুরশিদ হোসেন এবং ব্যারিস্টার হারুন অর রশিদ।

এদিকে আদালত প্রাঙ্গণজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা বলয় সৃষ্টি করা হয়েছে। হাইকোর্টের ফটক ও ট্রাইব্যুনাল এলাকার দুই পাশে পুলিশ, সেনা, র্যাব, বিজিবি ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের টহল দেখা গেছে।

এর আগে গত ২৩ নভেম্বর শুনানির জন্য আজকের দিন ঠিক করা হয়। ওইদিন সেনানিবাসের বিশেষ কারাগারে থাকা ১০ কর্মকর্তা ট্রাইব্যুনালে হাজির হন। যদিও তাদের আইনজীবীরা ভার্চুয়াল হাজিরার আবেদন করেছিলেন, এ বিষয়ে আজ পুনরায় শুনানি হবে।

ওইদিন ট্রাইব্যুনাল মন্তব্য করে, আইন সবার জন্য সমান। সাবেক প্রধান বিচারপতিও জেলে সশরীরে হাজির হন। সাবেক মন্ত্রীরাও নিয়মিত হাজিরা দেন।

এর আগে গত ২২ অক্টোবর সেনা হেফাজতে থাকা ১০ কর্মকর্তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হলে তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়। পলাতক আসামিদের সাত দিনের মধ্যে দুটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে হাজির হতে বলা হলেও কেউ হাজির না হওয়ায় তাদের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগ করা হয়।৮ অক্টোবর মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিলের পর ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ আমলে নিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech