শিরোনাম :
১৯,৬৪১ টন কোরবানির বর্জ্য ডাম্পিং করেছে ডিএসসিসি ঈদের দিন পাকিস্তানে সর্বোচ্চ ৫১.৫ তাপমাত্রার রেকর্ড শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে : রাষ্ট্রপতি বিএসএফের গুলিতে নিহত মুরসালিনের বাসায় জামায়াত নেতারা গাজার ৭০ শতাংশ এলাকা ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে আনার নির্দেশ নেতানিয়াহুর সিলেটের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ ঈদের দ্বিতীয় দিনে কোরবানি দিতে গিয়ে আহত ১৮ কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখছেন প্রধানমন্ত্রী সারাদেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু ভারতে ঝড়ের সময় নির্মাণাধীন সেতু ধসে নিহত ৬

কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্তি পাচ্ছেন বিডিআর জওয়ানরা

  • ১২:১৯ এএম, শনিবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০২৫

দীর্ঘ ১৬ বছর কারাভোগের পর মুক্তি পেলেন বিডিআর বিদ্রোহে অভিযুক্ত ১৬৮ জওয়ান।

বৃহস্পতিবার ২৩ জানুয়ারি বেলা ১১টার পর তারা কারাগার থেকে একে একে বের হতে থাকেন।

এর আগে কেরানীগঞ্জ ও কাশিমপুর কারাগারে বুধবার ২২ জানুয়ারি বিডিআর বিদ্রোহ মামলার ১৭৮ আসামির জামিননামা পাঠানো হয়। সেসব জামিননামা যাচাই-বাছাই শেষে অন্য কোনো মামলায় আটকাদেশ না থাকার শর্তে বন্দিদেরকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হচ্ছে।

ইতিমধ্যে ১৬ জন আসামি মুক্তিলাভ করে কারাগার ছেড়েছেন। মুক্তির খবরে স্বজনরা কারা ফটকে ভিড় জমিয়েছেন।

এর আগে গত ২০ জানুয়ারি রবিবার পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা বিস্ফোরক মামলায় জামিন পেয়েছেন হত্যা মামলায় খালাসপ্রাপ্ত ও যাদের বিরুদ্ধে কোনো আপিল হয়নি এমন ২ শতাধিক আসামি। কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতর ঢাকার বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মো. ইব্রাহিম মিয়ার অস্থায়ী আদালত তাদের এই জামিন দেন।

কারগার সূত্রে জানা যায়, মোট ১৬৮ জন বিডিআর হাজতি বন্দীকে মুক্তি দেয়া হচ্ছে। এর মধ্যে কাশিমপুর-১ হতে ২৬ জন, কাশিমপুর-২ হতে ৮৯ জন,কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি হতে ১২ জন। আর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মোট ৪১ জন বিডিআর হাজতি বন্দী সদস‍্য কে মুক্তি দেয়া হবে কিছুক্ষণ পর।

উল্লেখ্য, রবিবার ১৯ জানুয়ারি কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতর অস্থায়ী আদালতে ঢাকার বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মো. ইব্রাহিম মিয়ার আদালত তাদের জামিনের আদেশ দেন।

প্রসংগত, ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদর দপ্তরে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন। ওই ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা হয়। হত্যা মামলায় ৮৫০ জনের বিচার শেষ হয় ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর। যেখানে ১৫২ জনের ফাঁসি ছাড়াও ১৬০ জনের যাবজ্জীবন ও ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া খালাস পান ২৭৮ জন। সে ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা হয়। হত্যা মামলায় খালাস বা সাজাভোগ শেষে বিস্ফোরক মামলার কারণে ৪৬৮ জনের মুক্তি আটকে আছে।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech