শিরোনাম :
রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব : রাষ্ট্রপতি জানাজা শেষে নওগাঁর ৭ জনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর মক্কা চুক্তিতে যোগদান বাংলাদেশের একান্ত নিজস্ব বিষয়: বিরোধীদলীয় নেতা স্বাধীনতা আন্দোলন থেকে গণঅভ্যুত্থান, নজরুলই মূল অনুপ্রেরণা: রিজভী নেপালে বন্যা : মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৭২, নিখোঁজ অন্তত ১৪০০- পাশে দাঁড়িয়েছে বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থা লোন প্রতারণা: ৩১ অবৈধ অ্যাপে লেনদেন না করতে সতর্ক করল গোয়েন্দা সংস্থা বিএফআইইউ নেপালকে সব ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রমন্ত্রী আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে, হালকা বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা নেপালে স্মরণাতীত কালেল ভয়াবহ হড়পা বন্যা: জাতিসংঘ মহাসচিবের শোক ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন শুরু আজ

কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্তি পাচ্ছেন বিডিআর জওয়ানরা

  • ১২:১৯ এএম, শনিবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০২৫

দীর্ঘ ১৬ বছর কারাভোগের পর মুক্তি পেলেন বিডিআর বিদ্রোহে অভিযুক্ত ১৬৮ জওয়ান।

বৃহস্পতিবার ২৩ জানুয়ারি বেলা ১১টার পর তারা কারাগার থেকে একে একে বের হতে থাকেন।

এর আগে কেরানীগঞ্জ ও কাশিমপুর কারাগারে বুধবার ২২ জানুয়ারি বিডিআর বিদ্রোহ মামলার ১৭৮ আসামির জামিননামা পাঠানো হয়। সেসব জামিননামা যাচাই-বাছাই শেষে অন্য কোনো মামলায় আটকাদেশ না থাকার শর্তে বন্দিদেরকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হচ্ছে।

ইতিমধ্যে ১৬ জন আসামি মুক্তিলাভ করে কারাগার ছেড়েছেন। মুক্তির খবরে স্বজনরা কারা ফটকে ভিড় জমিয়েছেন।

এর আগে গত ২০ জানুয়ারি রবিবার পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা বিস্ফোরক মামলায় জামিন পেয়েছেন হত্যা মামলায় খালাসপ্রাপ্ত ও যাদের বিরুদ্ধে কোনো আপিল হয়নি এমন ২ শতাধিক আসামি। কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতর ঢাকার বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মো. ইব্রাহিম মিয়ার অস্থায়ী আদালত তাদের এই জামিন দেন।

কারগার সূত্রে জানা যায়, মোট ১৬৮ জন বিডিআর হাজতি বন্দীকে মুক্তি দেয়া হচ্ছে। এর মধ্যে কাশিমপুর-১ হতে ২৬ জন, কাশিমপুর-২ হতে ৮৯ জন,কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি হতে ১২ জন। আর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মোট ৪১ জন বিডিআর হাজতি বন্দী সদস‍্য কে মুক্তি দেয়া হবে কিছুক্ষণ পর।

উল্লেখ্য, রবিবার ১৯ জানুয়ারি কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতর অস্থায়ী আদালতে ঢাকার বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মো. ইব্রাহিম মিয়ার আদালত তাদের জামিনের আদেশ দেন।

প্রসংগত, ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদর দপ্তরে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন। ওই ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা হয়। হত্যা মামলায় ৮৫০ জনের বিচার শেষ হয় ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর। যেখানে ১৫২ জনের ফাঁসি ছাড়াও ১৬০ জনের যাবজ্জীবন ও ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া খালাস পান ২৭৮ জন। সে ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা হয়। হত্যা মামলায় খালাস বা সাজাভোগ শেষে বিস্ফোরক মামলার কারণে ৪৬৮ জনের মুক্তি আটকে আছে।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech