শিরোনাম :
রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব : রাষ্ট্রপতি জানাজা শেষে নওগাঁর ৭ জনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর মক্কা চুক্তিতে যোগদান বাংলাদেশের একান্ত নিজস্ব বিষয়: বিরোধীদলীয় নেতা স্বাধীনতা আন্দোলন থেকে গণঅভ্যুত্থান, নজরুলই মূল অনুপ্রেরণা: রিজভী নেপালে বন্যা : মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৭২, নিখোঁজ অন্তত ১৪০০- পাশে দাঁড়িয়েছে বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থা লোন প্রতারণা: ৩১ অবৈধ অ্যাপে লেনদেন না করতে সতর্ক করল গোয়েন্দা সংস্থা বিএফআইইউ নেপালকে সব ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রমন্ত্রী আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে, হালকা বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা নেপালে স্মরণাতীত কালেল ভয়াবহ হড়পা বন্যা: জাতিসংঘ মহাসচিবের শোক ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন শুরু আজ

নাফ নদী থেকে ট্রলারসহ চার জেলেকে অস্ত্রের মুখে অপহরণ

  • ১০:৪০ পিএম, মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫

কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদী থেকে ট্রলারসহ বাংলাদেশি চার জেলেকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ধরে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই অপহরণের সঙ্গে মিয়ানমারের সশস্ত্র সংগঠন আরাকান আর্মি জড়িত।

মঙ্গলবার ১১ ফেব্রুয়ারি বেলা সাড়ে ১১টার দিকে টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীরদ্বীপ সংলগ্ন নাফ নদীর মোহনায় এ ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি জানিয়েছেন কোস্টগার্ডের শাহপরীরদ্বীপ স্টেশনের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট এইচ এম সারতাজ বিন সোহরাব।

অপহৃত বাংলাদেশী জেলেরা হলেন- টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের দক্ষিণ পাড়ার বাসিন্দা মো. হাসান (৩০), আব্দুর রকিম (২০), মো. জাবের (২৬) ও মো. হাসান (১৬)।

লেফটেন্যান্ট সারতাজ বিন সোহরাব বলেন, সকালে টেকনাফের শাহপরীরদ্বীপ দক্ষিণ পাড়ার বাসিন্দা মো. হাসান চার জেলেকে নিয়ে ট্রলারসহ নাফ নদীতে মাছ ধরতে যান। এক পর্যায়ে মিয়ানমার দিক থেকে একটি স্পিডবোট যোগে আসা সশস্ত্র ব্যক্তিরা ট্রলারটি ঘিরে ফেলে। পরে জেলেসহ ট্রলারটি মিয়ানমার অভ্যন্তরে নিয়ে যায়।

তিনি জানান, ঘটনার বিষয়ে কোস্টগার্ডের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ, বিজিবি ও প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে। অপহৃতদের উদ্ধারে কোস্টগার্ড তৎপরতা চালাচ্ছে এবং নাফ নদীতে নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ এহসান উদ্দিন বলেন, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয়দের কাছ থেকে জেলেদের ধরে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি জানতে পেরেছি। বিজিবি ও সংশ্লিষ্ট বাহিনী উদ্ধার কার্যক্রম চালাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সংঘাতের কারণে অধিকাংশ এলাকা আরাকান আর্মির দখলে রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, তারাই এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত।

বিজিবি ও কোস্টগার্ড সীমান্তে নিরাপত্তা ও নজরদারি বাড়িয়েছে বলে ইউএনও নিশ্চিত করেছেন।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech